বগুড়ার পাঁচ কলেজে সবাই ফেল

মিরু হাসান, বগুড়া প্রতিনিধিঃ
এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বগুড়ার পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি কলেজে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪৬ জন শিক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। বাকি চারটি প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার্থী ছিল এক থেকে তিনজন করে, তাদের কেউই পাস করতে পারেনি।
চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এ তথ্য জানা গেছে।
শূন্য পাসের তালিকায় থাকা পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দুটি গাবতলী উপজেলার। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো তছলিম উদ্দিন তরফদার কলেজ ও বাগবাড়ি মডেল মহিলা কলেজ। ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ি মহিলা কলেজ এবং কাহালু উপজেলার দুর্গাপুর আইডিয়াল মহিলা কলেজ ও আল্লামার তাকিয়া হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজও এ তালিকায় রয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, তছলিম উদ্দিন তরফদার কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ৪৬ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। বাগবাড়ি মডেল মহিলা কলেজে পরীক্ষার্থী ছিলেন তিনজন। তাঁদের সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।
অন্যদিকে, গোসাইবাড়ি মহিলা কলেজ ও দুর্গাপুর আইডিয়াল মহিলা কলেজ থেকে দুজন করে শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। দুই প্রতিষ্ঠানের চার পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেননি।
কাহালু উপজেলার আল্লামার তাকিয়া হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে পরীক্ষার্থী ছিলেন মাত্র একজন। ফলাফলে ওই শিক্ষার্থীও অকৃতকার্য হয়েছেন।
তছলিম উদ্দিন তরফদার কলেজে ৪৬ জন, বাগবাড়ি মডেল মহিলা কলেজে ৩ জন, গোসাইবাড়ি মহিলা কলেজ ও দুর্গাপুর আইডিয়াল মহিলা কলেজে ২ জন করে এবং আল্লামার তাকিয়া হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কেউই পাস করতে পারেননি।
এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে বগুড়ার এই পাঁচ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন।
বঙ্গ নিউজ ওয়েবসাইট থেকে কোনো তথ্য গ্রহণ করলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আমাদের অনুমতি ব্যতীত বঙ্গ নিউজ ওয়েবসাইটের কোনো সংবাদ, ছবি, ভিডিও বা অন্যান্য কনটেন্ট হুবহু বা আংশিক কপি, সংরক্ষণ, ব্যবহার বা পুনঃপ্রকাশ করা আইনগতভাবে দণ্ডনীয়। এই ধরনের কোনো কর্মকাণ্ড চিহ্নিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আমাদের কনটেন্ট ব্যবহার করতে চাইলে অনুগ্রহ করে আগে আমাদের লিখিত অনুমতি গ্রহণ করুন।
বঙ্গ নিউজ কর্তৃপক্ষ

























মন্তব্য: