বঙ্গ ডেস্ক :
আশির দশকে নির্মাণ করেন জনপ্রিয় ছবি ‘ময়নাতদন্ত’, ‘চোখ’, ‘দেবশিশু’র মতো চর্চিত ছবি পরিচালনা করে সফলতা অর্জন করেন। জাতীয় পুরষ্কারে ভূষিত হন। জাতীয় পুরস্কার ছাড়াও তাঁর ঝুলিতে রয়েছে আন্তর্জাতিক পুরস্কার, রাষ্ট্রপতি পুরস্কার ও বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার। কিন্তু তার আর গ্ল্যামার দুনিয়ার মূলস্রোতে সেভাবে পাওয়া যায়নি তাঁকে। পরিচালকের আরও এক পরিচয় রয়েছে। তিনি পরিচালক শতরূপা সান্যালের প্রাক্তন স্বামী এবং অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী ও চিত্রাঙ্গদা চক্রবর্তীর বাবা। যদিও উৎপলেন্দুর সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যদের কোনও যোগাযোগ নেই।
গত এপ্রিল মাসে নিজের বাড়িতেই পড়ে গিয়েছিলেন পরিচালক। কোমর ও ডান পায়ে আঘাত পান। ভেঙে যায় হাড়। উৎপলেন্দুবাবুর সহকারী অর্ঘ্য মুখোপাধ্যায় সেই সময় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, পরিচালকের প্রস্টেটের সমস্যা রয়েছে। ক্যাথিটার খোলার পর বাড়িতে হাঁটার চেষ্টা করছিলেন তিনি। সেই সময়ই এই বিপত্তি হয়। এর মধ্যেই এবার তার স্মৃতিভ্রম শুরু হয়।
হাসপাতালে বেশ কয়েকদিন থাকতে হয়েছিল জাতীয় পুরস্কারজয়ী পরিচালককে। প্রথমে এসএসকেএমে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। রে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। প্রখ্যাত অস্থি শল্য চিকিৎসক মুকুল ভট্টাচার্য উৎপলেন্দু চক্রবর্তীর চিকিৎসা করেন। তাঁর চিকিৎসার যাবতীয় খরচ বহন করে রাজ্য সরকার। মে মাসের শুরুতে বাড়ি ফেরেন পরিচালক। শোনা গিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চা খেয়েছিলেন তিনি। তার পরই ঝিমিয়ে পড়েন। খবর দেওয়া হয় চিকিৎসকে। কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৭৮ বছরের পরিচালকের।
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান,নির্বাহি সম্পাদক : মোঃ বেনজীর হোসেন,বার্তা সম্পাদক : চন্দন ভট্টাচার্য্য, উপদেষ্টা : এ্যাড. সরদার আবুল হাসেম ডাবলু, উপদেষ্টা : তরুন চক্রবর্তী বিষ্ণু। মোবাইল : 01639924798, অফিস : রামনগর (মজিবর মোড়) , রূপসা, খুলনা।1260